দুশ্চিন্তা-রাক্ষস

দুশ্চিন্তা-রাক্ষস
টোকা শুনলাম
দরজাটা খুললাম
দেখি হাজার প্রশ্নচিহ্ন দাঁড়িয়ে।
যতক্ষণ না ওই চিহ্নগুলোকে আকাশে ওড়াতে পারব ততক্ষণ চিন্তার শরীরে অস্থিরতার কামড়–
সেই কামড়ের গভীরতা বৃদ্ধি পেলে দুশ্চিন্তা বংশবিস্তার করে।
তড়িঘড়ি ব্যবস্থা না নিলে অগোছালো থেকে যাবে সব আসবাব
পাব না খুঁজে কাজের আগ্রহ
কোথায় যে রাখা একাগ্রতা
পাব না খুঁজে আত্মবিশ্বাস,
নিজেকে পাব না খুঁজে আঁধার মেলায়।
মুহূর্তের ক্ষীর কে খেয়ে নেবে বুঝবই না
পড়ে থাকবে কি ছিবড়ে জীবন?
দুশ্চিন্তা-রাক্ষসটাকে মারতে হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *