তুমি যখন হাসপাতালে ছিলে-
স্টিফেন জনসন সিনড্রোম করেছিল কাহিল
খুঁজছিলে জীবনটাকে হাতড়ে হাতড়ে,
বসে ছিলাম তখন আমি নিরাশ নদীর পাড়ে।
লেডি ডাক্তার বন্ডটা যেই দিল আমায় সই করতে,
সামনের নদীর উত্তাল ঢেউ আসছিল যেন মারতে।
তোমার ফোলা শরীরটা যখন ধীরে ধীরে
ওষুধ ও ইনজেকশনে সাড়া দিতে শুরু করে,
ঢেউগুলো যেন যেত দূরে সরে।
তুমি লড়ছিলে হাসপাতালে অক্লান্ত,
আমি লড়ছিলাম ঘরেতে অনভ্যস্ত
ছিল না হাতে অস্ত্র।
মফস্সলের ডাক্তারের ভুলে প্রাণের আশঙ্কা
শহুরে ডাক্তার দিল তোমায় সারিয়ে।
দুজনের প্রাণ হাঁফ ছেড়েই বাঁচল।
রাখে হরি মারে কে?
Monthly Archives: May 2024
খাপ খাওয়ানো

মনের মতন হয় না কিছুই
জীবন মানিয়ে নেওয়া,
ভারসাম্যেই মনোযোগ দিয়ে
সামনে এগিয়ে যাওয়া।
ভাল্লাগেনার লিস্টি থাকলে
হোক-না ত্বরায় ছিন্ন,
মানিয়ে-নেওয়া-বাস না পরলে
শত খেদ করে ক্লিন্ন।
পোশাকটা তাই ভীষণ জরুরি
জরুরি নিজের বদল,
খাপ খাওয়াতে ব্যর্থতা মানে
শুরু হয় শুধু কোঁদল।
কোঁদলের ভয় পরিবার মাঝে
ঢোকেও পাড়ায় সমাজে,
খাপ খাওয়ানো হোক না মুখ্য
শিরদাঁড়া থাক মেজাজে।
মেরুদণ্ডের থাক ঋজু রেখা
থাক না পোশাক প্রণালী,
জীবন ভাসুক জোছনার বানে
আকাশে চন্দ্র চৈতালি।
রাগ

রাগ করে কেউ কেঁদে ফেলে
গলাবাজি কেউ বা করে,
মুখটা কারোর কয় না কথা
মনের মাঝে আগুন ঝরে।
কারোর আবার রাগ হলে যে
হৃদয় ঘরে মারে তালা,
তাদের চোখে অগ্নিশিখা
সবার দেহে বহ্নিজ্বালা।
হতেই পারে এক দাবানল
অগ্নিশিখা জল না পেলে,
মনের সবুজ পুড়েই যাবে
কার্তুজ ভরা কি রাইফেলে?
লোডেড রাইফেল বিপজ্জনক
শান্তি ভাঙা হিংসা ঘৃণা,
ছোবল মারতে উদ্যত কি
মহা নাগের মহা ফণা ?
অগ্নিশিখার নির্বাপণে
থাক না জলের শীতলতা,
ঠান্ডা চিন্তা চিত্রকল্প
নিক না শুষে অস্থিরতা।
বন্ধু দিয়ো
বন্ধু একটা সকাল দিয়ো
দিয়ো একটা দিন,
দিনের শেষে রাত দিয়ো গো
শ্বাসটা অমলিন।
বন্ধু দিঘল দিঘি দিয়ো
আশায় ভরা থাক,
প্রতিদিনের পুণ্যস্নানে
হতাশা ধুয়ে যাক।
বন্ধু দিয়ো আকাশসম
বুকে ভরা চিৎ,
পাখির মেঘের তারার সাথে
গাইব আমার গীত।
বন্ধু দিয়ো একটা চারা
প্রণয় যারই নাম,
জল দেব তার মূলে মূলে
গড়ব প্রেমের ধাম।
বন্ধু দিয়ো স্বপ্ন দেখা
হাজার স্নিগ্ধ ভোর,
সফলতা নাড়বে কড়া
সজাগ থাকবে দোর।
বন্ধু একটা জীবন দিয়ো
দিয়ো কর্ম দায়,
ক্লান্ত শরীর যেন শেষে
একটু শান্তি পায়।